তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আগামী ৩০ নবেম্বর ঢাকায় আসছেন খ্রীস্টান ধর্মের রোমান ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। ভ্যাটিকানের এ রাষ্ট্রপ্রধানের ঢাকা সফরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়েছে। প্রায় অভিন্ন সময়ে ঢাকা ও ভ্যাটিকান যৌথভাবে তার সফরের তারিখ ও কর্মসূচী ঘোষণা করে। ১৯৮৬ সালে পোপ দ্বিতীয় জন পল বাংলাদেশ সফর করেছিলেন। সোমবার কাকরাইলের আর্চবিশপ হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকায় নিযুক্ত ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রদূত আর্চবিশপ জর্জ কোচেরি এবং বাংলাদেশ ক্যাথলিক বিশপ কনফারেন্সের প্রেসিডেন্ট কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি রোজারিও। তারা জানান, ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রপ্রধান এবং ১২৮ কোটি ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু ও প্রধান পালক হিসেবে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় এবং পালিক সফর করবেন। ঢাকা সফরকালে তিনি বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশ নেবেন। এর মধ্যে থাকছেন প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত খ্রীস্টান ধর্মাবলম্বীদের একটি উপাসনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন ধর্ম ও চার্চের প্রতিনিধি, সরকারী-বেসরকারী ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে একটি আন্তঃধর্মীয় সংলাপে অংশগ্রহণ, দুস্থ, প্রতিবন্ধী, অসুস্থ, মাদকাসক্ত এবং অনাথ সম্প্রদায়ের যারা সেবাগৃহে রয়েছেন সেসব প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাত, চার্চ পরিচালিত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটি উৎসবমুখর সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হবে।

সফরকালে পোপ ফ্রান্সিসকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হবে বলে আশা করেন ঢাকার আর্চবিশপ হাউস। একই সঙ্গে তারা আরও জানান, বাংলাদেশ সফর শেষে পোপ ফ্রান্সিস মিয়ানমার সফর করবেন। ওই সফরে মিয়ানমারের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় রোহিঙ্গাদের মানুষ হিসেবে তাদের একটি শান্তিপূর্ণ বসবাসের সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানাবেন।

এদিকে সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৩০ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত পোপ ফ্রান্সিসের বাংলাদেশ সফর বাস্তবায়নে তার সফরের এ্যাডভান্স টিম ইতোমধ্যে ঢাকা ঘুরে গেছে। তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রটোকল উইংয়ের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করে গেছেন।

স্টাফ রিপোর্টার ॥ তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আগামী ৩০ নবেম্বর ঢাকায় আসছেন খ্রীস্টান ধর্মের রোমান ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। ভ্যাটিকানের এ রাষ্ট্রপ্রধানের ঢাকা সফরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়েছে। প্রায় অভিন্ন সময়ে ঢাকা ও ভ্যাটিকান যৌথভাবে তার সফরের তারিখ ও কর্মসূচী ঘোষণা করে। ১৯৮৬ সালে পোপ দ্বিতীয় জন পল বাংলাদেশ সফর করেছিলেন। সোমবার কাকরাইলের আর্চবিশপ হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকায় নিযুক্ত ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রদূত আর্চবিশপ জর্জ কোচেরি এবং বাংলাদেশ ক্যাথলিক বিশপ কনফারেন্সের প্রেসিডেন্ট কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি রোজারিও। তারা জানান, ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রপ্রধান এবং ১২৮ কোটি ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু ও প্রধান পালক হিসেবে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় এবং পালিক সফর করবেন। ঢাকা সফরকালে তিনি বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশ নেবেন। এর মধ্যে থাকছেÑ প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত খ্রীস্টান ধর্মাবলম্বীদের একটি উপাসনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন ধর্ম ও চার্চের প্রতিনিধি, সরকারী-বেসরকারী ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে একটি আন্তঃধর্মীয় সংলাপে অংশগ্রহণ, দুস্থ, প্রতিবন্ধী, অসুস্থ, মাদকাসক্ত এবং অনাথ সম্প্রদায়ের যারা সেবাগৃহে রয়েছেন সেসব প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাত, চার্চ পরিচালিত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটি উৎসবমুখর সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হবে।

সফরকালে পোপ ফ্রান্সিসকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হবে বলে আশা করেন ঢাকার আর্চবিশপ হাউস। একই সঙ্গে তারা আরও জানান, বাংলাদেশ সফর শেষে পোপ ফ্রান্সিস মিয়ানমার সফর করবেন। ওই সফরে মিয়ানমারের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় রোহিঙ্গাদের মানুষ হিসেবে তাদের একটি শান্তিপূর্ণ বসবাসের সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানাবেন।

এদিকে সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৩০ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত পোপ ফ্রান্সিসের বাংলাদেশ সফর বাস্তবায়নে তার সফরের এ্যাডভান্স টিম ইতোমধ্যে ঢাকা ঘুরে গেছে। তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রটোকল উইংয়ের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করে গেছেন।