রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করতে ঢাকায় এসেছেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি’র দপ্তর বিষয়ক মন্ত্রী কিও টিন্ট সোয়ে।

গত রাত পৌনে ১টার দিকে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। সেখানে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে মিয়ানমারের মন্ত্রীর। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিবন্ধিত এবং অনিবন্ধিত ‘জোরপূর্বক বাস্তুহারা মিয়ানমারের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়টিই প্রধান্য পাবে। তবে ৯০ এর দশকে পালিয়ে আসা মিয়ানমারের নাগরিক, বর্তমানে যারা ইউএনএইচসিআর পরিচালিত শরণার্থী শিবিরে রয়েছেন, তাদের আগে ফিরিয়ে নেয়ার দাবি থাকবে বাংলাদেশের।পরবর্তীতে বাকি নাগরিকদেরও যাচাই-বাছাই করে ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়টি সামনে আনা হবে।

এদিকে, কয়েক দিন থেমে ফের রোহিঙ্গাদের ঢল শুরু হয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তে।

গেল তিনদিনে উখিয়া-টেকনাফ ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলাসহ অন্ততঃ ২০টি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে অন্তত ২০ হাজার নতুন রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও মগদের হত্যাযজ্ঞে আতঙ্কিত রোহিঙ্গারা প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নিচ্ছে এ দেশে। সীমান্তের ওপারে এখনো কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছে পালিয়ে আসা শরণার্থীরা।গেল কয়েকদিন ধরে আসা রোহিঙ্গাদের বেশির ভাগই আর ঠাঁই পাচ্ছেন না শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে। কোথাও জায়গা না পেয়ে তারা আশ্রয় নিয়েছেন খোলা আকাশের নিচে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে এখনো পানির জন্য হাহাকার চলছে । বিশুদ্ধ খাবার পানি তো দূরের কথা , সাধারণ ব্যবহারের পানিও মিলছে না।